Wednesday , May 22 2019
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / আন্তর্জাতিক / আমাদের মা-বোন-স্ত্রী ধর্ষিত হচ্ছে সৌদি আরবে

আমাদের মা-বোন-স্ত্রী ধর্ষিত হচ্ছে সৌদি আরবে

আচ্ছা ধরুন আপনার মা-বোন কিংবা স্ত্রীকে সংসারের সচ্ছলতা আনবার জন্য প্রচুর টাকাপয়সা খরচ করে পাঠিয়েছেন সৌদি আরব কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে। সেখানে তাদের ভালো চাকুরী এবং উচ্চ বেতন পাবার আশা দিয়েই তাদের নিয়ে গেছে রিক্রুটিং এজেন্সী। হঠাৎ একদিন জানতে পারলেন, আপনার মা, বোন কিংবা স্ত্রী অমানুষিক নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়ে পালিয়ে এসেছেন দেশে, কিংবা তাদের উদ্ধার করে আনা হয়েছে সংকটাপন্ন অবস্থায়! কেমন লাগবে আপনার?

না, ঘটনাটা আর কল্পনা করতে হবে না। বাস্তবেই প্রায় দু’মাস ধরে সৌদি আরবে ছয় ছেলে আর বাবা- সবমিলিয়ে সাতজনের পৈশাচিক ধর্ষণ আর অকথ্য নির্যাতনের শিকার হওয়া দুই নারীকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে গত ২ জুলাই। এ ঘটনায় মানবপাচারের অভিযোগ এনে একজন সৌদি নাগরিকসহ বাংলাদেশি সাত নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ঢাকার আদালতে। আদালত গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশে গত ১৬ জুলাই মামলা তালিকাভুক্ত করে গুলশান থানা-পুলিশ। প্রধান আসামি হলেন বাংলাদেশি নাগরিক জহিরুল ইসলাম, সৌদি নাগরিক আবদুল আজিজ, রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স আল-বোখারী ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ সাতজন। ওসি জানিয়েছেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশি দুই নারীর ওপর যৌন নির্যাতনের মামলার তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে আসামিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

মামলার অভিযোগ এবং স্বজনদের ভাষ্যে জানা যায়, ৩৩ বছর বয়সী এই নারীর জন্ম এবং বেড়ে ওঠা শরীয়তপুরে। আট বছর আগে বিয়ে হয় তার, বিয়ের পর তিন সন্তানের সংসার গাড়ি চালক স্বামীর একলা আয়ে ঠিকঠাক চলতো না। সংসারে সচ্ছলতা আনতেই স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ঢাকায় রিক্রুটিং এজেন্সীর সাথে যোগাযোগ করার পর স্বামীর ভিসা না এলেও স্ত্রীর ভিসা আসে। প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ করে গত ২৭শে মে সৌদি আরবে যান ঐ নারী। তাকে বলা হয়েছিল সৌদি আরবে তিন সদস্যের এক পরিবারে কাজ করতে হবে। পরিবারের ছোট্ট এক বাচ্চাকে দেখাশোনা করাই তাঁর মূল কাজ। পাশাপাশি সংসারের টুকটাক কাজ করা। বেতন দেওয়া হবে ২৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে ত্রিশ বছর বয়সী অপর নারীর বাড়ি ঝালকাঠি। পোশাক কারখানায় আট হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করা অসচ্ছল এই নারী ” বিদেশে চাকরি করলে ভালো বেতন পাওয়া যাবে” এই আশ্বাসে দালাল ধরে গত ১লা জুন সৌদি আরব যান। যাবার আগে মোটা বেতনে ভালো চাকুরীর আশ্বাস দেওয়া হলেও সৌদিতে যাওয়ার পরেই রিক্রুটিং এজেন্সীর আচরণ পাল্টে যায়। এই দুজন নারীকে সৌদি আরবের সাত সদস্যের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিনিময়ে আসামীরা কয়েক লাখ রিয়াল নেয়। সেই পরিবারের সাতজন সদস্য দিনের পর দিন তাঁদের ধর্ষণ করে নির্যাতন চালায়।

এই দু’নারী সূর্যের আলো দেখেননি এক মাস। পৈশাচিক ধর্ষণের নারকীয় ঘূর্ণাবর্তে কেটেছ তাঁর দুর্বিষহ জীবন। একই পরিবারের কর্তা ও তার ছয় ছেলে মিলে বার বার ধর্ষণ করেছে তাকে। একটু প্রতিবাদ করলেই জুটেছে কিল-ঘুষি-লাথি। আর্তনাদ আর চোখের জলে তাদের মন গলেনি। বরং অত্যাচার বেড়ে গেছে। বিশেষ করে তলপেটে আঘাতের ফলে একাধিকবার মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গরম খুন্তি দিয়ে তাঁদের হাত-পা ঝলসে দেওয়ার মতো নির্যাতনও চালায় তারা।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে এক আবেদনে বলা হয়, ‘ওরা মানুষ না। বাপ-ছেলে সাতজন মিলে দিনের পর দিন গণধর্ষণ করে মেরে ফেলছে।’ শরিয়তপুরের নারীর স্বামী বললেন, তাঁর স্ত্রী সৌদি আরবে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। বাবা-ছেলে মিলে যে যৌন নির্যাতন চালিয়েছে, তা কল্পনা করলে ভয়ে গা শিউরে ওঠে। তাঁর স্ত্রী বহুবার সৌদির বাবা-ছেলের পা ধরে বলেছেন, তাকে যেন মুক্তি দেয়। উল্টো তারা বলেছে, যদি সে যৌন কাজে বাধা দেয়, তাহলে তার দেহ তিন টুকরো করে ফ্রিজে রেখে দেবে। ঝালকাঠির নারীর ভাই বললেন, একদিন তার বোন তাঁকে বলে, ‘ভাই আমি আর বাঁচব না। আমাকে নরক থেকে উদ্ধার করেন।’

সৌদি আরব থেকে যেদিন দুজন নারী ঢাকার বিমানবন্দরে নামেন, সেদিন তাঁকে দেখে চিনতে পারছিলেন না স্বজনেরা। সালোয়ার কামিজের বদলে তাঁদের পরনে ছিল শার্ট আর প্যান্ট। এক নারীর স্বামী বললেন, ‘জীবনে কোনো দিন চিন্তা করিনি স্ত্রীর পরনে থাকবে শার্ট-প্যান্ট। অথচ তাঁর শরীরে তাই ছিল। বিমানবন্দর থেকে কীভাবে ওই পোশাকে আনব তাঁকে? বাধ্য হয়ে বোরকা পরিয়ে তাঁকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। পরে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। সৌদি আরবের সেই বাবা-ছেলের যৌন নির্যাতনের চিহ্ন এখনো তার শরীরে।’ স্বামী বললেন, নরক থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিন ছেলের কোলে ফিরেছে তার মা।

এই নারীরা আমাদেরই কারো মা, কারো বোন, কারো স্ত্রী। অভাবের তাড়নায় পেটের জ্বালায় তারা প্রবাসে গিয়েছিলেন কাজ করতে। তারা সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট পরিবারের আমানত। অথচ নিজেদের পবিত্র ইসলামের রক্ষক পরিচয় দেয়া সৌদিরা তাদের আমানত আমাদের মা-বোন-স্ত্রীদের গণধর্ষণ করে, বর্বরতম অত্যাচার চালায়। অথচ তাদের প্রতিশ্রুত বেতনটাও দেওয়া হয় না। শুধু নারীলোভী নরপিশাচই না এই ইসলামের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দেওয়া সৌদিরা, বরং ওয়াদা বরখেলাপ করা মোনাফেকও বটে!

এর পেছনে আছে আরবদের প্রাচীন পৈশাচিক চিন্তাধারা। এখনও গৃহকর্মীকে তাদের মধ্যযুগীয় ধারাবাহিকতায় ক্রীতদাস ভাবে এবং তারা মনে করে তাদের ভোগ করা, অত্যাচার করা জায়েজ। এই কারণে ইতিমধ্যে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন্স ইত্যাদি প্রায় সকল দেশ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে নারী শ্রমিক প্রেরণ শুণ্যের কোঠায় নিয়ে এসেছে। এ কারণে তাদের ভোগবিলাসের খেলনায় সংকট পড়ায় সৌদি আরব বাংলাদেশী শ্রমিক নেয়ার ক্ষেত্রে এক তৃতীয়াংশ নারী শ্রমিকের শর্ত সম্প্রতি আরোপ করেছে। অর্থাৎ যে পরিমাণ পুরুষ শ্রমিক যাবে, তার তিনভাগের এক ভাগ নারী শ্রমিক যাওয়া বাধ্যতামূলক। না হলে চুক্তিই হবে না!
সৌদি রাজ পরিবার তার জনগণকে রাজশাসনে সন্তুষ্ট রাখতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী সাপ্লাই দেয়ার ব্যবস্থা করছে এই শর্তের মাধ্যমে। তারা যেহেতু ভাবে, তাদের গৃহপরিচারিকা তাদের ক্রীতদাস এবং ক্রীতদাসকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার জায়েজ, সুতরাং একই গৃহপরিচারিকাকে বাপ-বেটা মিলে নির্যাতন করতে দ্বিধা করে না। এবং এতে পরিবারের বাকিরাও কিছু মনে করে না।
ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুফ ভাই এয়ারপোর্টে দায়িত্ব পালন করবার সময় এমন কেসের মুখোমুখি হন প্রতিনিয়ত। তার দুটো লেখা এখানে খুব করে প্রাসঙ্গিকঃ

৬ মাস ২২ দিনের মাথায় সৌদি থেকে ফেরেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রীতা। মানসিকভাবে অনেকটা অসুস্থ। মালিক একটা টিকেট কিনে ৪৩১ রিয়াল ধরিয়ে দিয়ে বিমানে তুলে দিয়েছিলেন। ঢাকায় নেমে সেটা ভাঙ্গিয়ে মাত্র নয় হাজার টাকার মতো পান রীতা। কিন্তু তার কাছে সেটা মাত্র নয় হাজার টাকা নয়। অনেক নির্যাতনের ফল, ৬ মাস ২২ দিনের কামাই।

মাস কয় আগে এয়ারপোর্টে ঢুকতেই সিকিউরিটি অফিসার এসে জানালেন, সৌদি ফেরত এক মহিলা যাত্রী দেড়দিন ধরে সিকিউরিটি সেকশনে আছেন। মানসিক সমস্যা, কখনো এলোমেলো বলে, কখনো বলেই না। কিছু খায় না। আত্মীয় স্বজন কারো নাম ঠিকানা বা নম্বর বলতে পারে না। পাসপোর্টের ইমার্জেন্সি নাম্বার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কেউ রিসিভ করতে আসেনি। তারে একা বের হতে দিলে বিপদ। সিকিউরিটি সেকশন বুঝতেছে না কি করবে। থানায় দেবে না কি! এই সেই করতে করতে দেড়দিন পার করে দিয়েছে। আমার পরামর্শ দরকার।

শুনে যাত্রীকে দেখতে গেলাম। আনসার পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। মুখজুড়ে আতংক! চোখে সন্দেহ! আমার বুঝতে বাকী থাকলো না, বছরের পর বছর এ মেয়েটির সাথে ওখানে কি আচরণ করা হয়েছে! আনসার পুলিশকে দূরে সরিয়ে দিয়ে পাশে বসলাম। চুপচাপ কিছুক্ষণ বসে থেকে নীচের দিকে তাকিয়ে নীচুস্বরে বললাম ‘বুজি, বাড়িত যাবানা?’

অনেকক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো। কোমর থেকে এক টুকরা কাগজের দলা বের করে হাতে নাড়াচাড়া করছে। হাতবাড়াতেই দিয়ে দিলো। কাঁচা হাতে লেখা একটা ফোন নম্বর। ডায়াল করে কথা বলে বুঝলাম, তার চাচার নম্বর। স্পীকার ছেড়ে ফোন নিয়ে মুখের সামনে ধরলাম।

ওপাশ থেকে একের পর এক প্রশ্ন, কেন কি হয়েছে..! কথা নেই। চোখজোড়া আপ্রাণ কসরত করে যাচ্ছে। মরুর খরতাপ, এক কণা নোনাপানিও অবশিষ্ট রাখেনি।

(কিছু দেশে নারীকর্মী প্রেরণে আমাদের পুনরায় চিন্তা করা দরকার)

তো এই নরপিশাচদের কাছে আমাদের মা-বোন-স্ত্রীদের আর কত ধর্ষিত হতে পাঠাবো? আমরা কি বোধবুদ্ধিহীন জড়পদার্থ হয়ে গেলাম? আমাদের মা-বোন-স্ত্রীদের আর্তচিৎকার আর হাহাকার ভরা কান্না কি আমাদের স্পর্শ করে না? ছিঃ!

Check Also

ফেসবুক ইউটিউবে সরকারি নিয়ন্ত্রণ সেপ্টেম্বর থেকে

ফেসবুক, ইউটিউব বা গুগলের মতো ওয়েবসাইট থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক মূলবোধ পরিপন্থী নির্দিষ্ট কোনো …

টাকা না দিলে সেবা বন্ধ করে দিন : প্রধানমন্ত্রী

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কাছে বিদ্যুতের বকেয়া বিল পেতে দিনের পর দিন ধরনা দিয়ে …

একই সময়ে ৯ নার্স গর্ভবতী!

একই হাসপাতালে কর্মরত তারা। শুধু তাই নয়, ৯ নার্সই কাজ করেন হাসপাতালের ডেলিভারি ইউনিটে। তারাই …

বিশ্বের ‘ঘৃণিত একাদশে’ মুশফিক

ভারতীয় ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেটট্র্যাকার’ বিশ্ব ক্রিকেটের ঘৃণিত খেলোয়াড়দের এক তালিকা করেছে, যার মধ্যে তারা …

মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করতে নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিন : বিজেপি

ভারত থেকে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপি নেতা রঞ্জিত …

চীন থেকে মেশিন নিয়ে এসে ১০ -১২ হাজার মুসলিমদের দাড়ি কেটে দেওয়া হবে :বিজেপি নেতা

বিপ্লব কুমার দেবের বেফাঁস মন্তব্যের অভ্যেস বিজেপির অন্যান্য নেতাদের মধ্যেও সংক্রামিত হয়েছে সেটা কোনো অপ্রাপ্ত …

তলা ফেটে লঞ্চে পানি, রক্ষা পেলেন তিন শতাধিক যাত্রী

ঢাকা-লালমোহন রুটে চলাচলকারী এমভি গ্লোরি অব শ্রীনগর-২ নামে যাত্রীবাহী লঞ্চের সঙ্গে বালুবোঝাই কার্গোর ধাক্কা লেগে …

ভারতের ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, নিহত ১১,আহত অনেক

সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ১১ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন অরুণাচলের বিধায়ক। …

নির্বাচনে প্রার্থী হলেন খালেদা জিয়া

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন খালেদা জিয়া। দলটির প্রার্থী হিসেবে কারাগারে থাকা দলের …

মক্কার দিকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস, পবিত্র নগরীকে টার্গেট করায় নিন্দার ঝড়

সৌদি এয়ার ডিফেন্স ফোর্স সোমবার ইয়েমেন থেকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি মক্কা …

১৫+ অস্বাভাবিক ছবি যা আপনাকে সারা দিন চালিয়ে যেতে সাহায্য করবে

তারা সর্বদা বলে যে হাঁসি হল সেরা ঔষধ। একটি চাপের দিনে হাসি শুধু একটি সহজ …

শতাধিক মন্ত্রী-এমপি ও নেতার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাচ্ছে আ’লীগ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরের বাইরে ছিল না। এটা তৃণমূল নেতাকর্মী সমর্থকরা …

কঙ্কালে পরিণত হচ্ছে আবির, ফেলে চলে গেছে বাবা-মা

অজানা রোগে আক্রান্ত চার বছর বয়সী শিশু আবিরের শরীরটা দিনদিন তাকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। …

‘তোকে রাখার চেষ্টা করেছি, রাব্বানীর জন্য পারিনি’

ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যাচেষ্টার আগে ফেসবুকে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক …

সবাই যখন তারাবির নামাজে ব্যস্ত ঠিক তখনই প্রেমিকার সাথে মিলিত হতে যায় আহাদ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে প্রেমের টানে গোপন অভিসারে লিপ্ত থাকা অবস্থায় জনতার হাতে কিশোর বয়সী এক প্রেমিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *