Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / Prime News / মা মৃত আর ছেলের সেলফি!! এ কেমন ছেলে?

মা মৃত আর ছেলের সেলফি!! এ কেমন ছেলে?

মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে নেটদুনিয়ায় ছেড়ে দিল ছেলে। ঘটনাটি ভারতের কলকাতার ঘাটাল মহকুমার দাসপুরের ধরমা গ্রামে। সেই ছবি এখন ভাইরাল।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ধরমা গ্রামের গীতা জানাকে (৬০) সাপে কামড়ায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে গীতাদেবী মারা যান। গীতাদেবীর তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। ছোট ছেলে গণেশ সোনার গয়নার দোকানে কাজে আলাদা রাজ্যে থাকেন। হঠাত্‍‍ মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে গণেশ কানায় ভেঙে পড়েন। দ্রুত বাড়ি চলে আসেন। গীতাদেবীর অন্যান্য ছেলে-মেয়েরাও মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে চলে আসেন।

গণেশ যখন বাড়ি আসেন, তখন তার আগেই গীতাদেবীর মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়ি পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই ছুটে যান শ্মশানে। গণেশের আক্ষেপ মায়ের সঙ্গে তাঁর কোনও ছবিই নেই। তুলব তুলব করে মায়ের সঙ্গে ছবি তোলাই হয়নি তাঁর। অথচ মাকে কী পরিমাণ যে ভালবাসতেন তিনি। তাই চিতায় তোলার আগে মায়ের মৃতদেহের পাশে বসে টপাটপ সেলফি তুলে নিলেন গণেশবাবু। আর সেই ছবি তিনি ছেড়ে দিলেন ফেসবুকে। অনেকেই তা নিয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। ওঠে সমালোচনার ঝড়।

কিন্তু, কী বলছেন গণেশবাবু? তিনি বলেন, আমি বাইরে থাকি। মা আমাকে খুব ভালবাসতেন। কিন্তু, মায়ের সঙ্গে আমার কোনও ছবিই নেই। তুলব তুলব করে ছবি তোলাই হয়নি। মা হঠাত্‍‍ চলে গেলেন। তাই মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলে নিলাম। এটাই আমার স্মৃতি হয়ে থাকবে।

কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন পোস্ট করলেন ওই ছবি? গণেশবাবু বলেন, অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই, এটা মায়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ছাড়া আর কিছুই নয়। কে কী মন্তব্য করল তা আমার কিছু যায় আসে না। গণেশবাবুর আরও যুক্তি, যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ যদি বাড়াবাড়ি করে, তাহলে তাঁকে আনফ্রেন্ড করে দেব। প্রয়োজনে ব্লকও করে দিতে পারি। এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এখানে কেউ হস্তক্ষেপ করুন, সেটা আমি কোনওদিন মেনে নেব না।

About Repoter

Check Also

গোপালগঞ্জে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবক নিহত

গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লিপ্টন মোল্লা (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। শুক্রবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *